অকাল মৃত্যু

যখন তুমি অনেক কিছু বল
তখন আমায় বলতে হবে
কিছুই জান না।
যেদিন তুমি হঠাৎ করে
কিসের জোরে সত্য জেনে ফেল
সেদিন তোমার বলার যে আর
কিছুই থাকে না।

এতদিন ধরে জোরজার করে
চোখ বুজে বসে আছ
জান না তুমি কি দেহ পরিবারে
প্রতিবাদ ওঠে কত?

মাথার উপর দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে
নির্বাণ যদি হ’ত
বাদুড় তোমায় প্রকৃতি তাহলে
নিশ্চয়ই করে দিত!
এত পড়া হ’ল, এত বোঝা হ’ল
কিছু কেন খসে না?
তুমি দেখি সেই চিরদিনেরই
গাদা গাদা বাসনা।

যদি ভুল করে মনটাকে ধরে
নিজের রূপটা দেখাও
আর কোনদিন বললাম আমি
বিভেদ রবে না কোথাও।
তুমি যাকে বলো শুধু ভালোবাসা
অধিকার আর শক্তির খেলা
অভিমান আর চোখের জলের
স্বরূপটা যদি জানো।
কোথা হতে আসে সুখের চাহিদা
কেমনে তোমারে বোঝাবো সেকথা
নিরীহ দেহটা চিরকাল ধরে
শুধু বেগার খেটেই ম’লো।

তার প্রতিভাকে পাগলামি করে
দাবিয়ে রেখেছ বহুকাল ধরে
শেষে এসে বলে করুণ আবেগে
ওহে আর পারি নাকো
এবার মুক্তি হোক!

তখন তোমার নড়ল টনক
তুমি তো এক পরগাছা
তুচ্ছাতিতুচ্ছ।
সে ছিল তোমার প্রকৃত বন্ধু
পথের আলোর দিশারী।
অত্যাচারের আঘাতে আঘাতে জর্জরিত
সবশেষ করে হারিয়ে গেল
ফেলে রেখে দিল তোমার শুধু
অন্ধকারের চিন্তাগুলো।

তিল তিল করে প্রকৃতি তাহারে
সাজিয়েছিল যে অপরূপ রূপে
বৃথা করে দিলে কোটি বছরের
গভীর স্বপ্নখানি।

Scroll to top