প্রান্তরেখার দিক্চক্রবালে উদীয়মান সূর্যের আলোর ছটা যেমন তমসাকে ভেদ করে জগতের বুকে আলোর বন্যা বইয়ে দেয়, জ্ঞানালোকপ্রাপ্ত সব্যসাচীর জ্ঞান ও প্রেমের আলো তেমনি বর্তমান বিশ্বের সমাজব্যবস্থায় সংস্কৃতি-সংস্কারের চাপে হতাশ, উদভ্রান্ত, দিশাহীন মানবাত্মার মধ্যে গ্রীষ্মের প্রচন্ড দাবদাহের পর বর্ষার বারিধারায় ধরিত্রীর বুকে বয়ে আনা শীতলতার স্পর্শের মতন উন্নত চেতনাসমৃদ্ধ দৃষ্টিভঙ্গির আঙ্গিকে ভারহীন মুক্তমানবের চিন্তাধারা, যা মাতৃপ্রকৃতির দিব্য আশীর্বাদ স্বরূপ-সেটা এই সমস্ত জাগতিক মনাবাসনা মুক্ত, শুদ্ধ-সান্তিক, স্বল্পাহারী, সদাহাস্যময়, অলৌকিক প্রাণশক্তিতে ভরপুর, বর্তমানে স্বেচ্ছাবসরপ্রাপ্ত সব্যসাচীর সংস্পর্শে আসা মানুষেরা তাঁর জ্ঞানের ও প্রেমের স্পর্শে সর্বদাই অনুভব করছেন।
রথযাত্রা, ৬ আষাঢ়, ১৪১৯